বিক্রমপুরের আলোকিত মানুষ বাঙালি লেখক পঙ্কজিনী বসু

0
2
বিক্রমপুরের আলোকিত মানুষ বাঙালি লেখক পঙ্কজিনী বসু

প্রকাশিত: সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ।। ২৩ আষাঢ় ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)।। ১১ মহরম, ১৪৪৭ হিজরী।

বিক্রমপুর খবর : অনলাইন ডেস্ক : বাঙালি লেখক পঙ্কজিনী বসু (পঙ্কজিনী গুহ মুস্তাফা) (১৮৮৪ – ১৯০০) ছিলেন ঊনঐবিংশ শতকের বাংলার একজন মহিলা কবি।

পঙ্কজিনী গুহ মুস্তোফীর জন্ম বিক্রমপুরের শ্রীনগর উপজেলার শ্রীনগর গ্রামে । তার পিতার নাম নিবারণচন্দ্র গুহ মুস্তোফী।
১৩ বৎসর বয়সে বজ্রযোগিনী গ্রামে কুমুদবন্ধু বসুর জ্যেষ্ঠ পুত্র আশুতোষ বসুর সাথে পঙ্কজিনীর বিবাহ হয়।
বিবাহের পর পঙ্কজিনী কবিতা রচনা শুরু করেন। কিন্তু বিবাহের চার বৎসরের মধ্যেই পঙ্কজিনীর মৃত্যুর হয়।
পঙ্কজিনীর রচিত কবিতাগুলি তাঁর মৃত্যুর পর ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে “হেলেনা” কাব্যগ্রন্থের কবি আনন্দচন্দ্র মিত্র নিজের ভূমিকাসহ কবিতাগুলি “স্মৃতি কণা” নামে প্রকাশ করেন। স্মৃতি-কণা প্রকাশিত হওয়ার পর পঙ্কজিনীর লেখা কয়েকটি কবিতা ইংরাজী ভাষায় অনূদিত হয়। “সূর্যমুখী” শীর্ষক কবিতাটি বহুভাষাবিদ খ্যাতনামা অধ্যাপক হরিনাথ দে ইংরেজিতে তর্জমা করেন।
“স্মৃতিকণা”র দ্বিতীয় সংস্করণ পনের বৎসর পর ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হলে “সূর্যমুখী”র হরিনাথ দে কৃত ইংরাজি অনুবাদ স্থান পায়। “বসন্ত পঞ্চমী এবং “জীবন্ত পুতুল“ নামের দুটি কবিতা মিস হোয়াইটহাউস ইংরেজিতে “Basanta Panchami” এবং “The Living Doll” নামে অনুবাদ করেন।
উক্ত কবিতা দুটি “দ্য হেরিটেজ অফ ইন্ডিয়া” সিরিজের “পোয়েমস্ বাই ইন্ডিয়ান ওমেন” গ্রন্থে প্রকাশিত হয়।
১৯০০ খ্রিস্টাব্দে সতের বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই পঙ্কজিনীর অকালমৃত্যু হয়।
তথ্য ঋণ:
সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, নভেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ৩৮১,আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬
“বঙ্গসাহিত্যে নারী”।

নিউজটি শেয়ার করুন .. ..           

‘‘আমাদের বিক্রমপুর– আমাদের খবর।
আমাদের
সাথেই থাকুন– বিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’

Login করুন : https://www.bikrampurkhobor.com
আমাদের পেইজ এ লাইক দিন শেয়ার করুন।
জাস্ট এখানে ক্লিক করুন। https://www.facebook.com/BikrampurKhobor
email – bikrampurkhobor@gmail.com

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন