সারা বিশ্বে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস!

0
9
সারা বিশ্বে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস!

প্রকাশিত :সোমবার,১৬ মার্চ ২০২০ ইং ।। ২ চৈত্রী ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

বিক্রমপুর খবর :অনলাইন ডেস্ক:প্রায় ১৬০ বছর আগে প্লেগের প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্বে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়ছিল। এরপর ১৯১০ সালে ফের বিশ্বে আতঙ্কের নাম হয়ে ওঠে প্রাণঘাতি এ মহামারি। প্লেগকে উপজীব্য করে বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্য প্লেগ’ লিখেছিলেন নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক আলবেয়ার কামু।

মনে করা যাক, কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী লেখক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের উপন্যাস ‘লাভ ইন দ্য টাইম অব কলেরা’। বাংলা করলে যা দাঁড়ায়, ‘কলেরার দিনগুলোতে প্রেম।’ এই উপন্যাস লেখা হয়েছিল আরেক মহামারি কলেরাকে উপজীব্য করে।

ঊনিশ এবং বিংশ শতাব্দীতে যুদ্ধের পাশাপাশি মানব সভ্যতার স্বাভাবিক জীবন যাপনে সবচেয়ে আতঙ্কের নাম ছিল মহামারি। তবে সময়টা এখন বিজ্ঞানের। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতিতে অনেক রোগব্যাধি যেমন কমেছে তেমনি সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন রোগের। গত এক দশক আগেও আফ্রিকাতে ‘ইবোলা’ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।

সেই আতঙ্ক যেন এবার ফিরে এসেছে চীনে। কেবল চীন নয়, সারা বিশ্বের এখন সবচেয়ে ভীতিকর নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘করোনা ভাইরাস।’ শুরুতে চীনে এর প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও এশিয়ার কিছু দেশ এবং ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ছে এ ভাইরাস। করোনা বিশ্বে মহামারি আকারেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

সারা বিশ্বে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। ভাইরাসটির উৎপত্তি চীন থেকে। তবে চীনের সীমা অতিক্রম করে এর মধ্যেই বিশ্বের ১১৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে রহস্যময় এই ভাইরাস। আর গোটা বিশ্বে ইতোমধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার মানুষ। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ২৯১ জনের। আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা দেখেই নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) কতটা ভয়ঙ্কর তা উপলব্ধি করা যায়।

পরিস্থিতি বিবেচনায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পাশাপাশি চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ঠেকাতে দেশগুলোকে জরুরিভিত্তিতে ব্যাপকহারে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। বুধবার (১১ মার্চ) সংস্থাটির প্রধান ড. টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস বলেছেন, গত দুই সপ্তাহে চীনের বাইরে করোনা ভাইরাস প্রায় ১৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনার ভয়াল এই গ্রাসে ডব্লিউএইচও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাই আমরা সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

ডব্লিউএইচওর প্রধান ড. টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুসের এ ধরনের বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে- দেশগুলো কি প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আসলেই প্রস্তুত? আর প্রস্তুত হলেও সেটা কতটুকু? তাছাড়া উৎপত্তিস্থল চীন ছাড়া অন্য দেশগুলোতে করোনার প্রকোপ কেমন সে প্রশ্ন তো রয়েছেই। এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যাক।

ইতালি : চীনের বাইরে করোনা ভাইরাসের কারণে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে আছে ইতালি। করোনা ভাইরাস ছড়ানোর পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুর হার বাড়ার রেকর্ড হয়েছে ইউরোপের দেশটিতে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ইতালিতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সুপারমার্কেট, খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া অন্য সবকিছুই বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিসেপ্পে কন্তে।

যুক্তরাষ্ট্র : ভৌগোলিক দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান চীনের চেয়ে অনেক দূরে। তাই মার্কিনিরা প্রথমে নিজেদের বেশ নিরাপদই ভেবেছিল। তবে তাদের সে ভাবনা এর মধ্যেই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন ১ হাজার ১০০ জনের বেশি। যেখানে শুধু নিউইয়র্কেই করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭০ জন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কাছের একটি শহরতলিতে ১০ দিন আগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ছিল একজন। ১০ দিনের ব্যবধানে সেখানে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ৩০ দিনের জন্য ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের ভ্রমণ স্থগিত ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৩ মার্চ) থেকে এই ঘোষণা কার্যকর হবে। তবে যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে এ ঘোষণা কার্যকর হবে না।

এছাড়া করোনা আতঙ্কে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে সরাসরি পাঠদান দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষকরা। তাই আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ছাড়তে বলা হয়েছে। তাছাড়া কেমব্রিজ ও ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও শিক্ষার্থীদের পরবর্তী সেমিস্টার শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে যেতে নিষেধ করেছে। এ সময়ে অনলাইনে ক্লাস নেবেন শিক্ষকরা।

পানামা : দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন ২০ জনের বেশি। এছাড়া মৃত্যু হয়েছে একজনের। এমন অবস্থায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এছাড়া চলাচলেও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ডেনমার্ক : দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৫ জন। করোনা মোকাবিলায় দেশের সব স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও ডে কেয়ার সুবিধাগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী।

ফ্রান্স : ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪৮ জন মারা গেছেন। দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আর তা খুব দ্রুতগতিতে। ফ্রান্সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন ২২৮০ জনের বেশি। করোনা ঠেকাতে কয়েকটি অঞ্চলে বিশেষ অবস্থা জারি করেছে সরকার। এছাড়া জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে।

ইরান : মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে করোনার কারণে সবচেয়ে সমস্যায় আছে ইরান। করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশটির একজন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও একজন আইনপ্রণেতা মারা গেছেন। এছাড়া দেশটির জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দুজন কেবিনেট সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪২ জন। আর মারা গেছেন ২৯১ জন। করোনা মোকাবিলায় সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত বন্ধ রয়েছে দেশটিতে।

গুয়েতেমালা : করোনা ভাইরাস ঠেকাতে ইউরোপের সব নাগরিকের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মধ্য আমেরিকার দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী হুগো মনরয়। তবে গুয়েতেমালায় এখনো করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী পাওয়া যায়নি।

রাশিয়া : রাশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত রোগী ২০ থেকে বেড়ে ২৮ জনে পৌঁছেছে। করোনা প্রতিরোধে ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স ও স্পেনের সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রুশ প্রশাসন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এ ছাড়া ইতালিয়ান নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দেবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া সরকার।

ভারত : দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন প্রায় ৭০ জন। করোনা ভাইরাস ঠেকাতে সব ধরনের ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক ভিসা ছাড়া সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ১৩ মার্চ থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হবে।

লেবানন : দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩২ জন। ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ইরানের সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে লেবানন। এর বাইরে ফ্রান্স, মিশর, সিরিয়া, ইরাক, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির কোনো নাগরিককে লেবাননে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব।

কুয়েত : দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬০ জনের বেশি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত করোনা সংক্রমণের ভয়ে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোয় সব ধরনের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বন্ধ করেছে কুয়েত। শুক্রবার থেকে পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। এ ছাড়া দেশটিতে ১২ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সুইডেন : করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুইডেনে এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৪৬০ জন। করোনার বিস্তার ঠেকাতে গণজমায়েত নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার।

কাতার : দেশটিতে একদিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৮ থেকে বেড়ে ২৬২ জনে পৌঁছেছে। নতুন করে যে ২৩৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন, তারা সবাই বিদেশি এবং করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় কয়েকটি দেশে ফ্লাইট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কাতার সরকার।

আইভরি কোস্ট :  দেশটিতেও করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। আইভরি কোস্টে ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। ওই ব্যক্তি সম্প্রতি ইতালি সফর করেছেন।

বুলগেরিয়া : দেশটিতে করোনার কারণে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে বুলগেরিয়ায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। করোনা প্রতিরোধে ভিড় এড়িয়ে চলতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সরকার।

যুক্তরাজ্য : যুক্তরাজ্যে নাদিন ডোরিস নামে একজন এমপি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে ওয়েস্টমিনস্টার, এমনকি ডাউনিং স্ট্রিটেও এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে এখন করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪৫৬ জন। আর দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ছয়জন।

কানাডা : করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ৭৩ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। কানাডায় এর মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন একজন।

স্পেন : করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় স্পেনের কাতালোনিয়ায় বড় ধরনের জনসমাগমের সীমারেখা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সব খেলা দর্শক ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে। স্পেনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন দুই শতাধিক।

ফিলিপাইন : দেশটিতে ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনার দ্রুত বিস্তার ঠেকাতে গণজমায়েত নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার।

দক্ষিণ আফ্রিকা : দেশটিতে নতুন করে ছয়জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ জনে পৌঁছাল। দেশটিতে গণজমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

জার্মানি : দেশটির চ্যান্সেলর আঞ্জেলা মার্কেল বলেছেন, জার্মানিতে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ নাগরিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তাই করোনা মোকাবিলায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জার্মানিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৬২২ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন তিনজন।

পোল্যান্ড : করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে পোল্যান্ডের সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। স্কুল ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়, মিউজিয়াম ও সিনেমাহল বন্ধ থাকবে।

ইউক্রেন : দেশটিতে এখন পর্যন্ত একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশটির সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী তিন সপ্তাহের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। দেশটির সব সিনেমা হলও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

চীন : করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের অবস্থা এখন বেশ উন্নতির দিকে। দেশটির হুবেই প্রদেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হয়েছে। সেখানকার কয়েকটি কারখানায় শিগগিরই কাজ শুরু হবে।

দক্ষিণ কোরিয়া : দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৭৫৫ জন। করোনা ঠেকাতে কয়েকটি দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। এছাড়া জনগণকে ভিড় এড়িয়ে চলতে বলতে হয়েছে।

পানামা : দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সরকার।

ইসরায়েল : দেশটিতে নতুন করে আটজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭৬ জনে পৌঁছাল। পরিস্থিতি বিবেচনায় এক জায়গায় দুই হাজার জনের বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেশটিতে।

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন