প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ।। ১৫ই শ্রাবন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)।। ৪ সফর, ১৪৪৭ হিজরী।
বিক্রমপুর খবর :অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মুন্সিগঞ্জে ৩টি আসনই বহাল রাখা হয়েছে। সীমানা পুনর্নির্ধারণে আবেদন পড়লেও ভোটার/জনসংখ্যার অনুপাতে অসামঞ্জস্য হয়ে পড়ায় ৩ আসন বিশিষ্ট জেলাগুলোর আসন সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
তবে, আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল/আপত্তি লিখিত আকারে জানানো যাবে। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
২০০৭ সালের আগে মুন্সিগঞ্জের ৬টি উপজেলা নিয়ে ৪টি আসন ছিল। শ্রীনগর-সিরাজদিখান উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন-১, লৌহজং-সিরাজদিখান উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন-২, টংগিবাড়ী-মুন্সিগঞ্জ সদর সংসদীয় আসন-৩ এবং গজারিয়া ও মুন্সিগঞ্জ সদরের বাকি অংশ নিয়ে সংসদীয় আসন-৪ বিদ্যমান ছিল। পরে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ৬টি উপজেলা নিয়ে তিনটি সংসদীয় আসন করে।
সেই ব্যবস্থায় পরবর্তী ৩টি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া আজ বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিষয়ে ব্রিফিং করেন।
ইসি বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষায়িত কারিগরি কমিটি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনরায় নির্ধারণে সুপারিশ জমা দিয়েছে। সংসদীয় ৩০০ আসনের মধ্যে ৩৯টির সীমানা পরিবর্তন হচ্ছে। গাজীপুরে একটি আসন বাড়ছে এবং বাগেরহাটে একটি আসন কমছে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সীমানা পুনর্নির্ধারণ আইন ২০২১ এর ধারা ৬ এর উপ-ধারায় বলা হয়েছে, সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং আদমশুমারি এ তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে নির্ধারণ করতে হবে। তবে আদমশুমারি ২০২২ অনুযায়ী কিছু বিষয় আছে একটু অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমাদের কাছে আছে হালনাগাদ ভোটার সংখ্যা।
এছাড়া আমাদের ভোটার তালিকা ভিত্তিতে, ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে কমিটি গড়ে আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যা নির্ধারণ করেছেন। সেটি হলো ৪ লাখ ২০ হাজার সামথিং, অর্থাৎ ৩০০ আসনের এবার ভোটার সংখ্যা হলো ৪ লাখ ২০ হাজার। উনারা ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে একটা গ্রেডিং করেছেন, সেটি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ভোটার কোন জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোটার কোন জেলায়।
কারিগরি কমিটি ফাইন্ড আউট করেছেন যে, সবচেয়ে বেশি ভোটার যে জেলায় সেই জেলায় একটি আসন উনারা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন এবং সর্বনিম্ন ভোটার যে জেলায় সেই জেলায় একটি আসন কমানোর প্রস্তাব করেছে। সেই আলোকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেকনিক্যাল কমিটির তথ্যানুযায়ী, সর্বোচ্চ ভোটার হচ্ছে গাজীপুরে। আর বাগেরহাট জেলায় সবচেয়ে কম। মানে বিশেষায়িত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী তারা ভোটার সংখ্যা এবং জনসংখ্যা অ্যানালাইসিস করে প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের প্রস্তাব হচ্ছে বাগেরহাট একটি আসন কমবে, গাজীপুরে জনসংখ্যা ও ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে একটি আসন বাড়বে।
যে ৩৯ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ
পঞ্চগড়-১ ও ২, রংপুর-৩, সিরাজগঞ্জ-১ ও ২, সাতক্ষীরা-৩ ও ৪, শরীয়তপুর-২ ও ৩, ঢাকা-২, ৩, ৭, ১০, ১৪ ও ১৯, গাজীপুর-১, ২, ৩, ৫ ও ৬, নারায়ণগঞ্জ-৩, ৪ ও ৫, সিলেট- ১ও ৩, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ২ ও ৩, কুমিল্লা ১, ২, ১০ ও ১১, নোয়াখালী ১, ২, ৪ ও ৫, চট্টগ্রাম-৭ ও ৮ এবং বাগেরহাট-২ ও ৩ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে।
নিউজটি শেয়ার করুন .. ..
‘‘আমাদের বিক্রমপুর– আমাদের খবর।
আমাদের সাথেই থাকুন– বিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’
Login করুন : https://www.bikrampurkhobor.com
আমাদের পেইজ এ লাইক দিন শেয়ার করুন।
জাস্ট এখানে ক্লিক করুন। https://www.facebook.com/BikrampurKhobor
email – bikrampurkhobor@gmail.com

















































