শুভ জন্মদিন ইলিয়াস কাঞ্চন

0
8
শুভ জন্মদিন ইলিয়াস কাঞ্চন

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ডিসেম্বর ২০২০ইং।। ৯ই পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ(শীতকাল)।। ৮ই জমাদিউল-আউয়াল,১৪৪২ হিজরী।

বিক্রমপুর খবর :অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের বৃহৎ সামাজিক আন্দোলন নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ‘সড়ক যোদ্ধা’ ইলিয়াস কাঞ্চন এর আজ শুভ জন্মদিন। নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ঢাকাই ছবির বাদশা বাংলা চলচ্চিত্রের রাজকুমার, সুপারস্টার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত ও একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ৬৩ পেরিয়ে ৬৪ তে পা রাখলেন আজ ২৪ ডিসেম্বর।

এবছর জন্মদিন উপলক্ষ্যে নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন গতকাল রাতে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে আসেন এবং তার অগনিত ভক্ত, শুভাকাংখি ও নিসচার নেতৃবৃন্দদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একটি আহবান জানান।
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমার জন্মদিনে প্রতি বছর নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) নেতৃবৃন্দ ও আমার ভক্তগণরা দেশে-বিদেশে নানা কর্মসূচি পালন করে এই দিনটি উদযাপন করে থাকেন। আমার প্রতি আপনাদের এই ভালোবাসায় আমি চির কৃতজ্ঞ।
সেই সাথে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, জন্মদিন মানেই যে শুধু কেক কেটে স্বরণ করা তা কিন্তু নয়। আমরা চাইলে কেক না কেটে অন্যকিছুর মাধ্যমেও দিনটিকে স্বরণীয় করে রাখতে পারি। তিনি বলেন, আমি জানি আমার অনেক অন্ধ ভক্ত রয়েছেন যারা আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসেন। অনেক নিসচা কর্মি রয়েছেন। আপনারা আমার জন্মদিন এলেই তা পালন করে থাকেন। এই সব ভালোবাসার মানুষগুলোর প্রতিই আজ আমার একটি বিশেষ আহবান থাকবে আপনারা এবার কেক কেটে নয়। কেকের টাকায় অন্তত ২টি কম্বল ও ১০০টি মাস্ক হলেও সেটি অসহায় মানুষদের মাঝে বিতরণ করে দিনটি উদযাপন করুন। যাতে ১জন মানুষের হলেও উপকারে আসে। কেক কেটে জন্মদিন পালন করে শুধু নিজেরা আমরা আনন্দিত হতে পারি। কিন্তু এই টাকায় অন্যদের উপকারে ব্যায় করলে আমার কাছে মনে হয় আমরা আরো বেশী আত্মতৃপ্তি পাব।
তিনি বর্তমান সময়ের করোনা এবং শীতের ভয়াবহ অবস্থা স্বরণ করিয়ে শীতার্ত মানুষের পাশে এবং করোনারোধে সচেতনতারোধে মাস্ক বিতরণের আহবান জানান। এবং সড়ক পথে সবাইকে সাবধানে চলার পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, ইলিয়াস কাঞ্চন ১৯৫৬ সালের এই দিনে ২৪ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম হাজী আব্দুল আলী, মাতার নাম সরুফা খাতুন। তিনি ১৯৭৫ সালে কবি নজরুল সরকারী কলেজ থেকে এইস এস সি পাস করেন। পরবর্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ফিল্ম ডিরেক্টর সুভাষ দত্ত পরিচালিত বসুন্ধরা সিনামাতে ১৯৭৭ সালে চলিচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে অভিনেতা হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।এর পর একে একে ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি চিরদিনের মত বাংলা চলচ্চিত্র প্রেমীদের অন্তরে জায়গা করে নেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র বেদের মেয়ে জোছনা। সীমাহীন কষ্টের এক অসাধারণ প্রেমের গল্প বেদের মেয়ে জোছনা তাকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে আসে। যা এখনো বাংলাদেশের প্রায় সকল সিনামা প্রেমিদের মনে জায়গা করে রেখেছে। এরপর তিনি অসংখ্য দর্শক প্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দেন। নায়িকা হিসেবে কাঞ্চন তার বিপরীতে সবচেয়ে বেশি পেয়েছেন চম্পা, দিতি ও অঞ্জু ঘোষকে। ইলিয়াস কাঞ্চন যৌথভাবে প্রথম প্রযোজনা করেন ‘সর্পরানী’ ও ‘বোনের মতো বোন’ চলচ্চিত্র এবং ২০০৮সালে চলচ্চিত্র নির্মান করে একজন সফল পরিচালকের খাতায় নাম লেখান। পরপর তিনি দুটি দর্শক প্রিয় চলচ্চিত্র নির্মান করেছেন। বাবা আমার বাবা এবং মায়ের স্বপ্ন। এছাড়াও তিনি বিভিন্য সময় ছোট পর্দায় নাটক টেলিফিল্ম নির্মান করছেন। নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সচেতনমুলক অনেক নাটক ইতিমধ্যে নির্মান করে দর্শক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
Image may contain: Md. Ali Akbor, beard, close-up and outdoor

নিউজটি শেয়ার করুন .. ..            

‘‘আমাদের বিক্রমপুরআমাদের খবর

আমাদের সাথেই থাকুনবিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’

Like

 

Comment
Share

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন