ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক তোফায়েল আহমেদ এর বিদায়

0
2
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক তোফায়েল আহমেদ এর বিদায়

প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ।। ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল)।। ১৪ই জিলহজ্জ, ১৪৪৭ হিজরী।

বিক্রমপুর খবর: অনলাইন ডেস্ক : বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসের অন্যতম প্রধান এক পুরোধা ব্যক্তিত্ব, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ আজ সোমবার (১ জুন ২০২৬ তারিখে) ৮২ বছর বয়সে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ২২ অক্টোবর ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন বঙ্গ প্রদেশের বাকেরগঞ্জ জেলার কোড়ালিয়া গ্রামে (যা বর্তমান বাংলাদেশের ভোলা জেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন নামে পরিচিত) এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই কিংবদন্তি প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তাঁর পিতা ছিলেন মৌলভী আজহার আলী এবং মাতা ফাতেমা বেগম।

শৈশব থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ও দূরদর্শী তোফায়েল আহমেদ ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে সফলভাবে মাধ্যমিক বা ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। এরপর উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি বরিশালে চলে আসেন এবং বিখ্যাত বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৬২ সালে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক বা ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ চুকিয়ে তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগে বিজ্ঞান শাখায় স্নাতকোত্তর বা এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর ভেতরের প্রখর রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলী প্রকাশ পেতে শুরু করে, যা পরবর্তীতে তাঁকে জাতীয় রাজনীতির মূল মঞ্চে নিয়ে আসে।

তোফায়েল আহমেদের সক্রিয় ও গৌরবোজ্জ্বল রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটেছিল ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে। তিনি ১৯৬-৬৭ মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী ইকবাল হলের (যা বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল নামে পরিচিত) ছাত্রদের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সহ-সভাপতি বা ভিপি ছিলেন। এরপর ১৯৬৮-৬৯ মেয়াদে পূর্ব পাকিস্তানের ঐতিহাসিক গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর এই অনন্য ও আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই ১৯৬৯-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের ফলশ্রুতিতে তৎকালীন স্বৈরাচারী পাকিস্তান সরকার কুখ্যাত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমানসহ এই মামলার সকল রাজবন্দী আসামিকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদান করে। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের এই অবিস্মরণীয় বিজয়ের পর, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ঐ বছরেরই অর্থাৎ ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (যা বর্তমানে সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে।

লাখো জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে শেখ মুজিবকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং অনন্য জননেতা হিসেবে চিরদিনের জন্য “বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ নিজে লাখ লাখ মানুষের সামনে এই ঐতিহাসিক উপাধি প্রদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন, যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।

ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় পেরিয়ে তোফায়েল আহমেদ অত্যন্ত অল্প বয়সেই জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি মাত্র ২৭ বছর বয়সে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে চমক সৃষ্টি করেন। এরপর ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি সরাসরি রণক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি যুবকদের সংগঠিত করে গঠিত বিশেষ ‘মুজিব বাহিনী’র অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চারজন প্রধান কমান্ডারের মধ্যে অন্যতম প্রধান একজন ছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ।

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরবর্তীকালে, দেশের পুনর্গঠনে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তারিখে তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সচিবের এক গুরুদায়িত্ব লাভ করেন। তিনি আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের প্রতি অবিচল ছিলেন। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম ও নৃশংস সামরিক অভ্যুত্থান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পর, তৎকালীন অসাংবিধানিক সামরিক প্রশাসন তোফায়েল আহমেদকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করে বছরের পর বছর নির্জন কারাগারে আটকে রাখে। শুধু তাই নয়, কারাগারে বন্দী থাকাবস্থায় তাঁর সহকারী ব্যক্তিগত সচিব মিন্টুকে অমানবিক ও নৃশংস সামরিক হেফাজতে নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যা তোফায়েল আহমেদের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তোফায়েল আহমেদকে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। ১৯৯৬ সালের বিতর্কিত ও একতরফা ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে তৎকালীন সরকারের তীব্র দমন-পীড়নের মুখে তোফায়েল আহমেদকে কঠোর বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে পুনরায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন আসন থেকে মোট নয় বার জাতীয় সংসদের সম্মানীয় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সরকার গঠন করার পর, ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ জুন তোফায়েল আহমেদ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখেন। তবে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর এবং সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর, তোফায়েল আহমেদ ওই সরকারের প্রস্তাবিত আওয়ামী লীগের বিতর্কিত ‘সংস্কার পরিকল্পনার’ পক্ষে প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেন। এই সংস্কার পরিকল্পনার মধ্যে দলীয় প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনাকে মাইনাস করা বা অপসারণ করার একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুনরায় সরকার গঠন করলেও, দলের প্রেসিডিয়ামের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্যদের একজন হওয়া সত্ত্বেও তোফায়েল আহমেদকে প্রথম দফায় শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভা থেকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ার পর তোফায়েল আহমেদ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সভাপতিমন্ডলীর সদস্য হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার পর, পরবর্তীতে দলের উপদেষ্টা পরিষদেরও একজন অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য মনোনীত হন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক সমীকরণ পরিবর্তনের পর তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন।

তবে ২০২৪ সালে ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আকস্মিক পতনের পর, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত ঘোষণা করলে তোফায়েল আহমেদ তাঁর দীর্ঘদিনের সংসদ সদস্য পদটি চিরতরে হারান। এর মাধ্যমে তাঁর দীর্ঘ সংসদীয় ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন অত্যন্ত গোছানো ও আদর্শবান একজন মানুষ। ১৯৬৪ সালে তিনি ভোলার দনিয়াস্থ এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মফিজুল হক তালুকদারের জ্যেষ্ঠ কন্যা আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন এক পারিবারিক পরিবেশে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। এই দীর্ঘ দাম্পত্য ও সংসারজীবনে তিনি এক কন্যাসন্তানের জনক। তাঁর একমাত্র পরম স্নেহের কন্যা তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নী একজন পেশাদার ও অত্যন্ত সুনামী চিকিৎসক। তাঁর জামাতা তৌহিদুজ্জামান তুহিন বর্তমানে রাজধানীর খ্যাতনামা স্কয়ার হসপিটালে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মরত কার্ডিওলজিস্ট বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে মানবসেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। তা ছাড়া তোফায়েল আহমেদের পারিবারিক জীবনে একটি অত্যন্ত আবেগঘন ও মানবিক অধ্যায় রয়েছে।

তাঁর অরাজনৈতিক বড় ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুর পর, তোফায়েল আহমেদ তাঁর বড় ভাইয়ের দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে মাইনুল হোসেন বিপ্লবকে নিজের সন্তানের মতো আইনগতভাবে দত্তক নেন। রাজনৈতিক ও পারিবারিক মহলে এটি ব্যাপকভাবে কথিত আছে যে, তোফায়েল আহমেদ তাঁর নিজের একমাত্র কন্যা মুন্নী’র চেয়েও এই দত্তক নেওয়া পুত্র বিপ্লবকে তাঁর নিকট বেশি স্নেহ বৎসল মনে করতেন এবং সব স্থানে নিজের পুত্র বলেই পরিচয় করিয়ে দিতেন। এর পেছনের মূল কারণ হিসেবে জানা যায়, তাঁর সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বড় ভাইয়ের নৃশংস রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে তোফায়েল আহমেদ পরোক্ষভাবে নিজের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সক্রিয়তাকে মনে মনে ভীষণভাবে দোষারোপ করতেন এবং সেই অপরাধবোধ থেকেই তিনি ভাইয়ের সন্তানকে নিজের সন্তানের চেয়েও বেশি ভালোবাসা দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। তোফায়েল আহমেদের দত্তক নেওয়া পুত্র মাইনুল হোসেন বিপ্লবের আপন বড় ভাই হলেন ভোলা-২ আসনের তিন তিন বারের সাবেক সফল সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তোফায়েল আহমেদের এই সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য জীবনগাথা আগামী প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য চিরকাল এক অন্যতম অনুপ্রেরণা ও শিক্ষার উৎস হিসেবে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন .. ..           

‘‘আমাদের বিক্রমপুরআমাদের খবর।
আমাদের সাথেই থাকুনবিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’

Login করুন : https://www.bikrampurkhobor.com
আমাদের পেইজ এ লাইক দিন শেয়ার করুন।
জাস্ট এখানে ক্লিক করুন। https://www.facebook.com/BikrampurKhobor
email – bikrampurkhobor@gmail.com

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন