শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখী মানুষের ঢল; পারের অপেক্ষায় ৫০০ গাড়ি

0
1
শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখী মানুষের ঢল; পারের অপেক্ষায় ৫০০ গাড়ি

প্রকাশিত: রবিবার, ০১ মে ২০২২ইং।। ১৮ই বৈশাখ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ।। ২৯ রমজান, ১৪৪৩ হিজরি ।।

বিক্রমপুর খবর : লৌহজং প্রতিনিধি : ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্রকরে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ঢল দেখা গেছে। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২৩টি জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাট। গত কয়েক দিনের তুলনায় এই ঘাটের যানবাহন ও যাত্রী পারাপারের চাপ বেড়েছে। ফেরি স্বল্পতায় দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এতে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৮ শতাধিক ছোট বড় যানবাহন।

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার-মাঝিকান্দি নৌপথে ছোট বড় মিলিয়ে ১০টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। পাশাপাশি রয়েছে ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫২টি স্পিডবোটসহ ৮টি ট্রলার।

সেহরি সময় থেকে পরিবারের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী থেকে শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে আসতে শুরু করে দক্ষিণঅঞ্চলের মানুষ। এতে বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হতে শুরু করে। এদিকে স্পিডবোট ও লঞ্চঘাট যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে।

অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ থাকলেও বাড়ি ফিরতে পেরে আনন্দিত যাত্রীরা। এক নম্বর ঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পার করছে বিআইডব্লিউটিসি। আর মোটরসাইকেল পার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষকে। সকাল থেকে চারটি ফেরি তে করে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল পার করেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর শিমুলিয়া বন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, সকাল থেকে প্রচন্ড রকমের যাত্রীদের চাপ রয়েছে। স্পিডবোট ও লঞ্চঘাট এলাকায় পা ফেলানোর মত জায়গা নেই। ভোর থেকে ১৫২টি স্পিডবোট ও ৮৫টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। গতকাল রাতে সাতটার বাজে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়। আজ সকালে আবার লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাওয়াতে সাধারণ যাত্রী যারা বাসে করে সিএনজিতে করে আসছে তারা তাদের সংখ্যাটাই বেশি তারাই লঞ্চে পারাপার হচ্ছে। যাদের টাকা নিয়ে সমস্যা নাই তারা স্পীডবোটে পাচার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন বাংলাদেশ জার্নালকে জানান, বর্তমানে মোট ১০টি ফেরি পারাপারে কাজ করছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত কয়েক শতাধিক গাড়ি পারাপার হয়েছে ঘাট এলাকায় প্রায় ৮ শতাধিক যানবাহন রয়েছে তবে মহাসড়কের কোন গাড়ি থাকে এটা আমাদের জানা নেই। ১ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পারাবার করছি এই ঘাটতিকে শুধু মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য নির্দিষ্ট করন করা হয়েছে।

সকাল থেকে শুধু মোটরসাইকেল বহন করে চারটি ফেরি ছাড়া হয়েছে। কি সংখ্যক মোটরসাইকেল পারাপার হয়েছে তা বলা মুশকিল তবে ঘাট এলাকায় যা মোটরসাইকেল আরও দশটি ফেরি ছেড়ে গেল শেষ হবে না। মোটরসাইকেলের চাপই এবার ঈদ যাত্রায় সবচেয়ে বেশি।

(বিজ্ঞাপন) https://www.facebook.com/3square1

নিউজটি শেয়ার করুন .. ..

‘‘আমাদের বিক্রমপুর-আমাদের খবর।

আমাদের সাথেই থাকুন-বিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন