মাচা করে চাষ করুন কালো আঙ্গুর; ক্যানসার প্রতিরোধ করে কালো আঙ্গুর

0
171
মাচা করে চাষ করুন কালো আঙ্গুর; ক্যানসার প্রতিরোধ করে কালো আঙ্গুর

প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২০ ইং ।। ১১ই আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ।।

বিক্রমপুর খবর : অনলাইন ডেস্ক : অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে এই সুমিষ্ট ফল আঙ্গুর। বাঁজারে এই চাহিদা যেমন ঠিক তেমনি এর দামও বেশ চড়া।  সুস্বাদু এই আঙ্গুর ফল দিয়ে ওয়াইন, রস, এবং জেলি-জ্যাম ইত্যাদি তৈরি করা ছাড়াও বাইরের বিভিন্ন দেশের নানারকম মুখরোচক রান্নায় এর ব্যবহার হয়। এছাড়াও আঙ্গুর শুকিয়ে কিশমিশ তৈরি হয়।

আঙ্গুরের ইতিহাসঃ আজ থেকে প্রায় ৬,০০০-৪,০০০ বছর আগে পৃথিবীর পূর্বাঞ্চলের দিকে আঙ্গুরের চাষ শুরু হয়। ৪,০০০ বছর আগে জর্জিয়ায় ওয়াইন তৈরির প্রমাণ খুব ভালোভাবে পাওয়া গেছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায় যে, ১৩০০ শতাব্দীতে পার্শিয়ানরা ভারতীয় উপ-মহাদেশে প্রথম আঙ্গুর চাষ প্রবর্তন শুরু করেন,যা পরবর্তীতে ভারতের দক্ষিনাঞ্চলে বিস্তার আকার লাভ করে। ভারতের দক্ষিনাঞ্চলের উঞ্চ আবহাওয়ায় সফলভাবে আঙ্গুরের চাষ হয়ে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশেও আঙ্গুরের চাষ হচ্ছে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সবুজ ,লাল, সাদা, কালচে খয়েরি এমন নানা রঙের আঙ্গুর জন্মায়। এমনকি উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করার ফলে আজকাল বীচি ছাড়া আঙ্গুর জন্মানো সম্ভব হচ্ছে। সারা পৃথিবীর প্রায় ৭৫.৮৬৬ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে আঙ্গুর চাষ হয়ে থাকে। তবে মোট উৎপাদনের ৭১% ওয়াইন বানাতে, ২৭% তাজা ফল হিসেবে এবং শুধু ২% শুকনো ফল হিসেবে ব্যবহার হয়। তাছাড়া কোথাও কোথাও এর পাতাও খাওয়া হয়ে থাকে।

আঙ্গুরের পুষ্টি উপাদানঃ আঙ্গুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বি ১, সি, কে ভিটামিন অন্যতম। এছাড়াও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম ও খনিজ পদার্থ ম্যাঙ্গানিস। আঙ্গুর শুকিয়ে সাধারণত তৈরি হয় কিশমিশ এবং কিশমিশে রয়েছে ৬০ শতাংশ ফ্রুকটোজ।

জাতঃ আমাদের দেশে এ যাবত ৩ টি উৎপাদনশীল আঙ্গুর গাছের জাত নির্বাচন করা হয়েছে। (১) জাককাউ (২) ব্ল্যাক রুবী ও (৩) ব্ল্যাক পার্ল। তিনটি জাতই গ্রীষ্মকালীন এবং পরে তিনটি রঙের রূপান্তরিত হয়ে যথাক্রমে হালকা বাদামি, কালো ও করমচা রং ধারণ করে। ফলন আসতে সময় লাগে প্রায় দু’বছর।

জমি নির্বাচনঃ আঙ্গুর চাষের জন্য দো-আঁশযুক্ত লালমাটি, জৈবিক সার সমৃদ্ধ কাঁকর জাতীয় মাটি এবং পাহাড়ের পাললিক মাটিতে আঙ্গুর চাষ ভাল হয়। জমি অবশ্যই উঁচু হ’তে হবে যেখানে পানি দাঁড়িয়ে থাকবে না এবং প্রচুর সূর্যের আলো পড়বে এমন জায়গা আঙ্গুর চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে।

জমি তৈরি ও রোপণ পদ্ধতিঃ ভালোভাবে চাষ দিয়ে মাটি ঝুরঝুর করতে হবে। তারপর ৭০ X ৭০ X ৭০ সে. মি. মাপের গর্ত করে তাতে ৪০ কেজি গোবর, ৪০০ গ্রাম পটাশ, ৫০০ গ্রাম ফসফেট এবং ১০০ গ্রাম ইউরিয়া গর্তের মাটির সাথে মিশিয়ে ১০/১৫ দিন রেখে দিতে হবে। যেন সারগুলো ভালোভাবে মাটির সাথে মিশে যায়। তারপর সংগৃহীত চারা গোড়ার মাটির বলসহ গর্তে রোপণ করে একটি কাঠি গেড়ে সোজা হয়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে হবে এবং হালকা পানি সেচ দিতে হবে। শাখা-কলমের বেলায় প্রায় ১ ফুট দীর্ঘ শাখা-খন্ডের ১/৩ অংশ মাটির নিচে কাত করে পুঁতলে ভালো হয়। আঙ্গুর চারা লাগানোর উপযুক্ত সময় মার্চ-এপ্রিল মাস।

সার প্রয়োগ: রোপণের ১ মাসের মধ্যে বাড়বাড়তি না হ’লে গোড়ার মাটি আলগা করে তাতে ৫ গ্রাম ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করা দরকার। ১-৩ বছরের প্রতিটি গাছে বছরে ১০ কেজি গোবর, ৪০০ গ্রাম পটাশ, ৫০০ গ্রাম ফসফেট এবং ১০০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে। পটাশ সার ব্যবহারে আঙ্গুর মিষ্টি হয় এবং রোগ বালাইয়ের উপদ্রব কম হয়। বয়স্ক গাছের জন্য প্রতি বছর এপ্রিল মাসে দুই কেজি তেলের খৈল, এক কেজি হাড় চূর্ণ এবং এক পোয়া সালফেট অব পটাশ ব্যবহার করা যায়।

আঙ্গুর গাছের পরিচর্যা

গাছের কান্ড ছাঁটাই: রোপণের পরবর্তী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মাচায় ছড়িয়ে থাকা আঙ্গুর গাছের কান্ড ছেঁটে দিতে হবে। কান্ড ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে আঙ্গুর গাছের ফলন বৃদ্ধি হয় এবং ফুল ঝরে পড়া কমে যায়। ছাঁটাইয়ের ৭ দিন আগে এবং পরে গোড়ায় হালকা সেচ দিতে হয়। গাছ রোপণের পর মাচায় ওঠা পর্যন্ত প্রধান কাণ্ড ছাড়া অন্য সকল পার্শ্বের শাখা ভেঙ্গে ফেলতে হবে।

প্রথম ছাঁটাইঃ মাচায় কান্ড ওঠার ৩৫/৪৫ সে.মি. পর প্রধান কান্ডের শীর্ষদেশ কেটে দিতে হবে, যাতে ঐ কান্ডের দুই দিক থেকে দু’টি করে চারটি শাখা গজায়।

দ্বিতীয় ছাঁটাইঃ গজানো চারটি শাখা বড় হয়ে ১৫-২০ দিনের মাথায় ৪৫/৬০ সে.মি. লম্বা হবে, তখন ৪ টি শীর্ষদেশ কেটে দিতে হবে, যেখান থেকে আরও পূর্বের ন্যায় দু’টি করে ১৬টি প্রশাখা গজাবে।

তৃতীয় ছাঁটাইঃ এই ১৬টি প্রশাখা ১৫/২০ দিনের মাথায় ৪৫/৬০ সে.মি. লম্বা হবে, তখন আবার এদের শীর্ষদেশ কেটে দিতে হবে যাতে প্রতিটি প্রশাখার দু’দিকে দু’টি করে ৪ টি নতুন শাখা এবং এমনিভাবে ১৬ টি শাখা থেকে সর্বমোট ৬৪টি শাখা গজাবে। অবশ্য সর্বক্ষেত্রেই যে ৬৪ টি শাখা গজাবে এমন কোন কথা নেই। এই শাখার গিরার মধ্যেই প্রথমে ফুল এবং পরে এই ফুল মটর দানার মত আকার ধারণ করে আঙ্গুর ফলে রূপান্তরিত হবে। প্রথম বছর ফল পাবার পর শাখাগুলোকে ১৫/২০ সে.মি. লম্বা রেখে ফেব্রুয়ারী মাসে ছেঁটে দিতে হবে। ফলে বসন্তের প্রাক্কালে নতুন নতুন শাখা গজাবে এবং ফুল ধরবে। এই পদ্ধতি ৩/৪ বছর পর্যন্ত চলবে এবং ফলের স্থিতি লাভ করবে।

আঙ্গুর গাছের বিভিন্ন পরিচর্যার মধ্যে একটি হলো ডাল ছাঁটাই। প্রতিবার ফুল ধরার পর ডাল বা শাখাটি পুরনো হয়ে যায় এবং ঐ ডাল বা শাখায় আর ফুল-ফল ধরে না। এসব পুরনো ডাল বা শাখা গাছে থাকলে নতুন শাখা-প্রশাখা গজায় না। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে প্রতি একরে ৪৩৬টি আঙ্গুর গাছে লাগানো যায়।

আঙ্গুর ফল পুষ্ট হওয়ার পর পাকা অবস্থায় গাছ থেকে পাড়তে হয়। আগে পেড়ে ফেললে পরে আর পাকে না। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে আঙ্গুর গাছ ছাঁটাই করলে মার্চ-এপ্রিলে ফল পাওয়া যায়। তবে দেরিতে ফল সংগ্রহ করলে আকাশ একটানা মেঘলা থাকা বা বৃষ্টির কারণে ফল টক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ গরমে আঙ্গুর ফলে চিনিজাতীয় পদার্থ বেড়ে যায়। ফল ঠিকমতো বড় ও মিষ্টি না হলে, ফল ধরার পর প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার ইথরেল ও ১০০ মিলিগ্রাম জিবারেলিক অ্যাসিড পাউডার (জিবগ্রো ৫জি বা বারান্টো-৮০%) একত্রে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর দুই থেকে তিনবার স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

বছরে দুবার ফুল আসে। মার্চ ও জুলাই মাসে তা আঙ্গুরে রূপান্তরিত হয়। আঙ্গুর পাকার সময় বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা থাকায় মাচার উপরে পলিথিন সীট দিয়ে আবৃত করে দিতে হবে যাতে গাছে বৃষ্টির পানি না লাগে। লাগলে পাকা আঙ্গুর ফেটে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

প্রতি বছর একটা নির্দিষ্ট সময়ে তিনটি পরিচর্যা নিয়মিতভাবে করতে হবে:

(ক) প্রতি বছর জানুয়ারী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গাছের গোড়ায় মাটি হালকাভাবে কুপিয়ে আলগা করে তাতে অনুমোদিত সার প্রয়োগ করে শুধুমাত্র একবার বেশি করে পানি দিতে হবে।

(খ) জানুয়ারী মাসের ৪র্থ সপ্তাহে ঘুমন্ত গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করে দিতে হবে। ছাঁটাইকৃত ডালগুলো কেটে পরে মাটিতে পুতে পানি দিলে পুনরায় নতুন গাছ হবে।

(গ) ফেব্রুয়ারী মাসের ১ম সপ্তাহে সামান্য গরম আরম্ভ হবার সাথে সাথে গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিতে হবে, যে পর্যন্ত না বৃষ্টি হয়। পানি দেবার ১০ দিনের মধ্যে গাছে নতুন শাখা-প্রশাখা গজাবে এবং তাতে ফুল দেখা দিবে। যা পরবর্তীতে আঙ্গুরে রূপান্তরিত হবে।

মাচা পদ্ধতিতে আঙ্গুর চাষে চমক দেখালেন কলেজ পড়ুয়া মোশারফ

সবুজ পাতার নিচে থোকায় থোকায় ফল দেখে চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কোনো মানুষের। মাচা পদ্ধতিতে আঙ্গুরসহ অন্যান্য ফল চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে রাজশাহী কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মোশারফ হোসেন।

মোশারফ হোসেন বাঘা উপজেলার দিঘাদাবিয়াতলা গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। তার পরিচর্যায় বাড়ির আঙ্গিনার পরিত্যক্ত জমিতে লাগানো বিভিন্ন গাছে থোকায় থোকায় ফল ধরে রয়েছে।

মাচা পদ্ধতিতে আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ফল চাষ দেখে অনেকে আগ্রহী হচ্ছে। ছোট বেলা থেকে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা রয়েছে তার। বিভিন্ন ফুল ও ফলের গাছ লাগিয়ে শোভিত করেছে বাড়ির আঙ্গিনা ও বাড়ির ছাদ।

এ বিষয়ে মোশারফ হোসেন বলেন, গাছ লাগানোর প্রতি অদম্য ইচ্ছা আমার মা মনিরা বেগমের কাছ থেকে পেয়েছি। মা ৩ বছর আগে পাশের রুহুল আমিনের বাড়ি থেকে আঙ্গুর গাছের একটি ডগা এনে লাগায়। সেই ডগা রোপন করে পরিচর্চা শুরু করি। তারপর এই গাছ থেকে গত বছর ৫ কেজি আঙ্গুর হয়। এ বছর ১২০ কেজি অর্থাৎ চার মণ হবে। তবে এ পর্যন্ত আঙ্গুর বিক্রি করা হয়নি। শুধু আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী, দেখতে আসা মানুষদের দিয়েছি। তবে বাজারের আঙ্গুরের মত এটিও সুমিষ্ট।

তিনি আরো জানান, বাড়ির আঙ্গিনায় আঙ্গুর গাছ লাগানোর পাশাপাশি বারি ফোর আম, আম্রপালি, লেবু, পেয়ারা, ডালিমসহ বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা রোপন করেছি। পরীক্ষামূলক এগুলো রোপণ করে ভালো ফলাফল পাচ্ছি। বর্তমানে এ বাগান আরো বেশি পরিমাণ জমিতে সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা আছে।

এ বিষয়ে উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, মোশারফ হোসেন আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ফল চাষের বিষয়ে পরামর্শ নেয়। তার মতো অল্প জমিতে অধিক ফলন এবং সুমিষ্ট হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে ফল চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে অন্যান্য চাষিরা লাভবান হবে। তবে তার লেখাপড়ার পাশাপাশি এমন উদ্যোগ দেখে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছে ফল চাষে।

ক্যানসারের মতো রোগেরও প্রতিরোধ করে কালো আঙ্গুর

ইউরোপে ছয়-সাত হাজার বছর আগে প্রথম কালো আঙ্গুরের চাষ শুরু হয়। এমনটাই বলা হয়েছে ইতিহাসে। বাংলাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে সবুজ আঙ্গুরের চেয়ে কালো আঙ্গুরের জনপ্রিয়তা তুলনামূলক কম।

পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর কালো আঙ্গুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল।

আসুন জেনে নেয় যাক কালো আঙ্গুরের কিছু অজানা গুণের কথা।

ক্যানসার প্রতিরোধ

ব্রেস্ট, লাং, প্রোস্টেট ক্যানসারের মতো রোগেরও প্রতিরোধ করে কালো আঙ্গুর।

কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে

কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে আঙ্গুরের জুস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা এতে রয়েছে অর্গানিক এসিড, সেলুলাস ও চিনি যা কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়ক।

হার্ট ভালো রাখে

কালো আঙ্গুর খেলে হৃৎপিণ্ডে রক্ত চলাচল ভালো হয়। এর ফাইটোকেমিক্যাল হার্টের পেশিকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি

দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে নিয়মিত আঙ্গুর খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। চোখ ভালো রাখতে কার্যকর এই ফল। বয়সজনিত কারণে যারা চোখের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য ভালো ওষুধ হল এই আঙ্গুর।

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ

শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কালো আঙ্গুর।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

কালো আঙ্গুরের ফ্ল্যাবনয়েডস, খনিজ, অরগ্যানিক অ্যাসিড কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমের সমস্যা দূর করে। দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ভুলে যাওয়া রোগ নিরাময়

অনেকে ছোট ছোট বিষয়গুলো দ্রুত ভুলে যান। আবার কোনো কথা বেমালুম স্মৃতি থেকে মুছে যায়। এটি আসলে এক ধরনের রোগ। এই রোগটি নিরাময়ে আঙ্গুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মাথাব্যথা দূর করে

হঠাৎ করে শুরু হওয়া মাথাব্যথা দূর করতেও আঙ্গুরের তুলনা হয় না। এতে করে মাথাব্যথায় কিছুটা আরামবোধ হয়।

হজমে সহায়তা করে

দাওয়াত খেয়ে এসে অস্বস্তি লাগলে খেতে পারেন আঙ্গুর। এটি হজমের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পেটের পীড়াও দূর করে।

স্তন ক্যান্সার নির্মূল

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে আছেন এমন নারীরা খেতে পারেন আঙ্গুর। গবেষণায় দেখা গেছে আঙ্গুরের উপাদানগুলো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষের বিরুদ্ধে কাজ করতে সক্ষম।

কিডনির স্বাস্থ্য রক্ষা

আঙ্গুরের উপাদানগুলেঅ ক্ষতিকারক ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা সহনশীল অবস্থায় রাখে। সেই সঙ্গে কিডনির রোগব্যাধির বিরুদ্ধেও লড়াই করে।

ত্বক

ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কালো আঙ্গুর ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। ফলে বলিরেখা, কালো ছোপ, শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় কালো আঙ্গুর খান ও ত্বকে মেখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। কয়েক দিনের মধ্যেই পার্থক্য লক্ষ করুন।

চুলের জন্য বেস্ট!

কালো আঙুরের বীজ পেস্ট করে, অলিভ অয়েলে মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করতে পারেন। এই তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই। ভিটামিন ই চুল পড়ার সমস্যা কমায় ও চুল সাদা হয়ে যাওয়াও প্রতিরোধ করে।

স্বাদে ও গুণে কালো আঙ্গুর অতুলনীয়। তাই নিয়মিত কালো আঙ্গুর খাওয়ার অভ্যাস করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন .. ..

 ‘‘আমাদের বিক্রমপুর-আমাদের খবর।

আমাদের সাথেই থাকুন-বিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’

Login করুন : https://www.bikrampurkhobor.com

আমাদের পেইজ এ লাইক দিন শেয়ার করুন।

https://www.facebook.com/BikrampurKhobor/

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন