বসানো বাকি মাত্র একটি স্প্যান পদ্মাসেতুতে বসল ৪০তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৬ কিলোমিটার

0
13
বসানো বাকি মাত্র একটি স্প্যান পদ্মাসেতুতে বসল ৪০তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৬ কিলোমিটার

প্রকাশিত:শুক্রবার,৪ ডিসেম্বর ২০২০ইং ।। ১৯ই অগ্রাহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)।। ১৮ই  রবিউস-সানি,১৪৪২ হিজরী।

বিক্রমপুর খবর : মিজানুর রহমান ঝিলু : স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ৪০তম স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) বসানোর মধ্যে দিয়ে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর ৬ হাজার মিটার অর্থাৎ ৬ কিলোমিটার অবকাঠামো। শুক্রবার সকাল ১০টা ৫৮মিনিটে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের মাঝ নদীতে সেতুর ১১ ও ১২ নম্বর খুঁটির উপর বসানো হয় স্প্যানটি। ৩৯তম স্প্যান বসানোর ৭ দিনের মাথায় বসানো হলো ৪০তম স্প্যানটি। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের মূল সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে বাকি রইল আর মাত্র একটি স্প্যান।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূলসেতু) দেওয়ান আবদুল কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘের স্প্যানটি বহন করে ভাসমান ক্রেন তিয়াইন-ই-এর মাধ্যমে নির্ধারিত খুঁটির কাছে নিয়ে নোঙর করে রাখা হয়েছিল। বাকি ছিল শুধু স্প্যানটি উপরে তুলে বসানোর কাজ। শুক্রবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে স্প্যানটি উপরে তোলার কাজ শুরু হয়। এরপর ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে নির্ধারিত খুঁটির উপর ভূমিকম্প সহনশীল বিয়ারিং ধীরে ধীর বসানো হয়। পুরো কাজ শেষ করতে সময় লাগে ২ ঘন্টার মতো। ৪০তম স্প্যানটি বসে যাওয়ায় এখন ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটি সর্বশেষ ৪১তম স্প্যান স্প্যান ‘২-এফ’ বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে প্রকৌশলীদের। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের মধ্যে বাকি থাকা স্প্যানটি বসানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছেন। এ দিকে স্প্যান বসানো ছাড়াও অন্যান্য কাজও এগিয়ে চলেছে। এর মধ্যে সেতুতে ১৮ শতাধিক রেলওয়ে ও ১২ শতাধিক রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হয়েছে।

২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হয় ৪০টি স্প্যান। এতে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর ৬ কিলোমিটার অংশ। ৪২টি খুঁটিতে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১ টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। সবকটি খুঁটি এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই খুলে দেয়া হবে পদ্মা সেতু।#

 নিউজটি শেয়ার করুন .. ..                     

 ‘‘আমাদের বিক্রমপুরআমাদের খবর

আমাদের সাথেই থাকুনবিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’

 

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন