প্রকাশিত : বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০২৪, খ্রিষ্টাব্দ।। ০১ কার্তিক ১৪৩১ বঙ্গাব্দ(শরৎকাল )।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৬ হিজরি।
বিক্রমপুর খবর : অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এভারকেয়ার হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাবেক মন্ত্রী ও মতিয়া চৌধুরীর মামা মোস্তফা জামাল হায়দারও তার মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে দুপুর ১টার দিকে মারা যান মতিয়া চৌধুরী।
বাংলাদেশী নারী রাজনীতিবিদ মতিয়া চৌধুরী। তিনি শেরপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।
অগ্নিকন্যা খ্যাত বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আওয়ামী লীগ আমলের সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুর পর একাদশ জাতীয় সরকারের মেয়াদেও সংসদের উপনেতার দায়িত্বে ছিলেন ।
মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ১৯৪২ সালের ৩০ জুন পিরোজপুরে। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মতিয়া চৌধুরী।
বামপন্থী রাজনীতি দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ছাত্র অবস্থায় আইয়ুবের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসা সেসময় ঢাকার ইডেন কলেজেন ভিপি ছিলেন। পরে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদকও হয়েছিলেন। সেসময় বামপন্থী রাজনীতিতে সক্রিয় মতিয়া চৌধুরী রাজপথের লড়াকু যৌদ্ধা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ছাত্র ইউনিয়ন যখন দুভাগে বিভক্ত হয়ে যায় তখন তিনি একটি অংশের নেতৃত্ব দেন এবং ছাত্র ইউনিয়ন মতিয়া গ্রুপের সভাপতি হন।
পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তখন তিনি দলটির কেন্দ্রীয় নেতা না হয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন। পরে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর মতিয়া চৌধুরী তার সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করেন।
স্বৈরাচার এরশাদের সামরিক শাসনের সময় মতিয়া চৌধুরী রাজপথে মার খেয়েছিলেন। সেসময় তিনি মারা গেছেন বলে মনে করা হয়েছিলো। আমৃত্যু গণমুখী রাজনীতি করে আসা সেই অগ্নিকন্যা বিদায় নিলেন গণমানুষের কাছ থেকে।
তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-এর সদস্য ছিলেন, পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি তাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে। তিনি ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জাতীয় সংসদ বিলুপ্তের মাধ্যমে সংসদ সদস্য পদ হারান।
(বিজ্ঞাপন) https://www.facebook.com/3square1
নিউজটি শেয়ার করুন .. ..
‘‘আমাদের বিক্রমপুর–আমাদের খবর।
আমাদের সাথেই থাকুন–বিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’
Login করুন : https://www.bikrampurkhobor.com
আমাদের পেইজ এ লাইক দিন শেয়ার করুন।
জাস্ট এখানে ক্লিক করুন। https://www.facebook.com/BikrampurKhobor














































