লৌহজংয়ে পদ্মার ছোবলে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা! দায়ী অবৈধভাবে বালু উত্তলনকারি-দাবী এলাকাবাসীর

0
8
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে! টিনের ঘর সরিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু সরিয়ে  নিতে পারছেন না বাপদাদার কবর !

সোশ্যালমিডিয়ায় একমাত্র দায়ী করছেন অবৈধভাবে পদ্মা নদীতে বালু উত্তলনকারিদের 

প্রকাশিত:রবিবার,০২ অক্টোবর ২০২২।।১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)।।৫ই রবিউল আউয়াল,১৪৪৪ হিজরি ।।

বিক্রমপুর খবর : লৌহজং প্রতিনিধি : লৌহজংয়ে অসময়ে পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীতে উত্তাল ঢেউ আর প্রবল স্রোতের কারণে ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে পদ্মা নদী ঘেঁষা উপজেলার আশপাশের গ্রাম ও বসতভিটা। গত ১ সপ্তাহে তেউটিয়া ইউনিয়নের বড়-নওপাড়া গ্রামে ইতিমধ্যে ৯টি বসতভিটা বিলীন হয়েছে। অনেকে সরে গেছেন নিরাপদ স্থানে। সর্বনাশা পদ্মার ছোবলে প্রতিবছরই আঘাত হানছে আড়াই লাখ জনসংখ্যার বসবাসরত এই উপজেলার মানচিত্রে। স্থানীয়রা জানান গত কয়েক মাস যাবত তেউটিয়া ইউনিয়নের বড় নওপাড়া গ্রামে কমবেশি ভাঙছে তবে সপ্তাহ খানেক যাবত তিব্র গতিতে ভাঙন শুরু হয়েছে। দিনে-রাতে অনিয়মতান্ত্রীতভাবে বালু বহনকারী বাল্কহেড চলাচলে উত্তাল ঢেউয়ের কারণে এসব এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

গতকাল শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে মিঠু মোল্লার ৪’শ বছরের পুরনো ভিটেবাড়ি পদ্মার গর্ভে চলে যায়। পরে তরিগরি করে ঘরটি ভেঙে অন্য স্থানে সরিয়ে রাখা হয়। এছাড়া মামুন মোল্লা, মুকুল মোল্লা, কুতুব মোল্লা, হোসেন মোল্লা, তাজুল শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, ইউনুছ মোল্লা, রাকিব মোল্লার বসতঘর সরিয়ে নেয়া হয়েছে। টেউটিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বড় নওপাড়া গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বসতভিটা নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কখন পদ্মায় গিলে খায় সে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীর পাড়ের মানুষ।

২ অক্টোবর লৌহজং উপজেলার ( লৌহজং-তেউটিয়া ইউনিয়ন) এর বড় নওপাড়া ১ নং ও ৩ নং ওয়ার্ডে পদ্মা নদীর গর্ভে ১০ টি পরিবারের ঘর বাড়ী বিলীন হয়ে যাওয়ায় এবং ২ নং ওয়ার্ড সহ আরো ৪০ টি পরিবার হুমকির মুখে থাকায় ভাঙ্গন রক্ষার্থে লৌহজং উপজেলা পরিষদের ইউএনও আব্দুল আউয়াল ও স্হানীয় চেয়ারম্যান হাজ্বী মোঃ রফিকুল ইসলাম ও ওয়ার্ড সদস্য গন সরে জমিনে এসে গত কাল ১৭০ টি সহ আজ আরো প্রায় ৪০০ টির মত বালু ভর্তি জিও বেগ ফেলার সুব্যাবস্হা করে দেন।

এলাকাবাসী জানান, এর আগে ৫০ হাজার টাকার বাঁশ-খুঁটি ও বালুভর্তি ব্যাগ ফেলে ভাঙন থেকে বাড়িঘর রক্ষার চেষ্টা করছি। কিন্তু ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। সচেতন এলাকাবাসী জানান নদীতে সারাদিন এতো বলগেট আসে রাতে নামে বালু উত্তলনের জন্য। বালু উত্তলন কারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল জানান, পদ্মায় বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ঘন ঘন অভিযান চলছে। এখন বালু কাটা হচ্ছে পদ্মার মাদারীপুর ও শরিয়তপুর এলাকায়। তবে সেই দুই জেলায়ও এ ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে।

সোশ্যালমিডিয়ায় একমাত্র দায়ী করছেন অবৈধভাবে পদ্মা নদীতে বালু উত্তলন কারিদের

পাঠকের জন্য কয়েকটি পোস্ট তুলে ধরলাম — 

Md Martuza Khan

পদ্মা নদীতে বালু কাটা বন্ধ না করলে লৌহজং আর থাকবে না।
  • দিদার হাসান মোল্লা

    নদী কেটে এমন করতাছে
  • Jahirul Islam Samol

    আমাদের এমপি মহোদয় কে বালু উত্তলন কারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করতেছি।
    আরাফাত শেখ আপন

    Md Martuza Khan vai apnara er biriddhe bebostha nen
    নদী শাসন ব্যবস্থা করা,বালু কাটা বন্ধ করা না গেলে ৪০০ ব্যাগ আর ৪০০০ ব্যাগ ফেলে কিছু ই হবে না।
    যাদের এক কথায় আজকে থেকে বালু কাটা বন্ধ হয়ে যাবে , তাহারা কিন্তু কথা বলে না
    Hosain Monir

    আমাদের এমপি মহোদয় কে বালু উওলন
    কারিদের বিরুদ্ধে একসন নেওয়ার জন্য
    এলাকার বাসির পহ্মে থেকে অনুরোধ করতেছি
    আরে এরা কারা? কোথা থেকে এলো এরা? হাজার হাজার বলগেট কোথা থেকে এলো?কারা আনলো?
    Royal Sorder

    পদ্মা নদীতে বালু কাটা বন্ধ না করলে লৌহজং আর থাকবে না।
    Kazi Mostafijur Rahaman Babul

    দাওয়াত দিয়ে নদীকে আনা হয়েছে এখন যত বস্তা ফেলোনা কেন আর কাজ হবে না।

    লৌহজং বাসীর জন্য অশনি সংকেত পদ্মা নদী ভাঙেন জন্য।

  (বিজ্ঞাপন) https://www.facebook.com/3square1

নিউজটি শেয়ার করুন .. ..               

   ‘‘আমাদের বিক্রমপুর-আমাদের খবর।

আমাদের সাথেই থাকুন-বিক্রমপুর আপনার সাথেই থাকবে!’’

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার কমেন্টস লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন