প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার,২৬ ডিসেম্বর ২০১৯,১১ পৌষ আষাঢ় ১৪২৬।
বিক্রমপুর খবর: মুন্সিগঞ্জ থেকে আবু হানিফ : অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আনন্দপাঠ শিশু-কিশোর পাঠাগার উদ্বোধন করা হয়েছে ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ বুধবার বিকেল ৪টায় । মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মালপাড়াস্থ অগ্রসর বিক্রমপুর ভবনের নীচ তলায় পাঠাগারটির উদ্বোধন করেন অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. নূহ-উল-আলম লেনিন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী,বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক,সংগঠনের সহসভাপতি যথাক্রমে অধ্যাপক ডা. রশীদ ই মাহবুব এবং অধ্যাপক ডা. আব্দুল মালেক ভূইঁয়া,কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম,মুন্সীগঞ্জ কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর হাসান,সহসভাপতি যথাক্রমে শাহীন খান,অ্যাডভোকেট আনোয়ার এবং ফারুক ঢালী। মুন্সীগঞ্জ কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফের পরিচালনায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।
পাঠাগারটি উদ্বোধন শেষে ড. নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন,আমারা ইতিপূর্বে একাধিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেছি কিন্তু শুধু কোমলমতি শিশুদের জন্য আলাদাভাবে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। আমারা এই কেন্দ্রে ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছি,শিশু কিশোরদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য পাঠ অভ্যাস তৈরি করা খুব জরুরী তাই আমারা শিশু কিশোরদের উপযোগী একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিই যা আজ সফলতার মুখ দেখল।
শিশু-কিশোরদের পাঠাগার অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন শিশু কিশোরদের বিকাশে বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে যতটুকু সাহায্য সহযোগিতা করার সুযোগ রয়েছে তা আমরা করবো। তিনি আরো বলেন শিশুরা আনন্দে থাকলে বাংলাদেশ আনন্দে থাকবে,শিশুরা আলোকিত হলে বাংলাদেশ আলোকিত হবে। শিশু কিশোরদের পাঠোপযোগি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করায় সংগঠকদের তিনি সুধুবাদ জানান।
আনিসুল হক বলেন অগ্রসর বিক্রমপুর একটি সজিব সংগঠন তারা কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের প্রতি বছর সম্মাননা দেয়,পহেলা বৈশাখ উদযাপন করে,গান,নাচ এবং অঙ্কন শেখার বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। শিশু কিশোরদের কথা ভেবে তারা তাদের উপযোগি একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা নিশ্চিতভাবে শিশুদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মোবাইল ট্যাব থেকে বাচ্চাদের কাগজের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করতে হবে,সে ক্ষেত্রে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন মুন্সীগঞ্জ কেন্দ্রের এই পাঠাগারটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।









































